আমাদের এই প্রজেক্টটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো এমন একটি অবহেলিত সমাজে বসবাস করে ক্ষুদার্ত পথশিশুদের মেধাবিকাশ ও ক্ষুধা নিবারনের লক্ষ্যে কাজ করা। আমরা শিক্ষার্থী (কেউ কেউ নবীন উদ্যোক্তা) এবং বয়সেও তরুণ তাই নিজের ও দেশের জন্য কিছু করার সবচে ভালো সময় এটাই। সে লক্ষ্য নিয়েই ধীরে ধীরে কাজ করবে এ.এস.এফ বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী চলতি মাসে(নভেম্বর) পথশিশুদের নিয়ে একটি পাইলট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি ফাউন্ডেশন পরিবার। যার নাম প্রজেক্টঃ Food Bank For Hunger. পথশিশু নামটা শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে নোংরা পোশাক, উসকো খুশকো চুল, ক্ষুদার্থ অবস্থায় পথে পথে ঘোরা কিছু কোমল শিশুর প্রতিচ্ছবি। একবারও কি ভেবে দেখেছেন নিয়তি খারাপ হলে আপনি আমিও ঠিক ঐ জায়গাটায় থাকতে পারতাম আর সারাদিন এর ওর ঝাড়ি খেয়েই দিন কেটে যেতো। আজ নিয়তির নির্মম দূর্বিপাকে পড়েছে বলেই কি ওরা অবহেলিত? সে যাই হোক,আপনি আমরা সবাই মিলে কাজ করলেই হয়তো ওদের জীবনটা পরিবর্তন হবে। পুরোপুরি না পারি আংশিক হলেও তো ওদের মুখে হাসি ফোটাতে পারি আমরা। সেটুকুই বা কম কিসে? আমাদের পাইলট প্রজেক্টের বিবরণঃ যেহেতু এটা আমাদের পরিক্ষামূলক একটি প্রকল্প। সেহেতু, আমরা রংপুর বিভাগের বেশকিছু এলাকা সিলেক্ট করবো বিশেষ করে আমাদের জন্মস্থান নীলফামারী জেলার যেগুলোতে অভুক্ত পথশিশু ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই আসুন, আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করবো আমদের এই প্রজেক্টে আপনার(বৃত্তবান শ্রেনী/সমাজসেবক) আর্থিক ও মানবিক সহযোগিতা করার। কারন, আপনার দানকৃত অর্থ বা খাদ্য শস্যই পারে আমাদের এই পাইলট প্রকল্পের সফলতা এনে দিতে।। প্রজেক্টের কার্যকারিতাঃ আগেই বলেছি এটা আমাদের পরিক্ষামূলক একটি প্রকল্প অতএব, আমরা ওদের মানসিকতা যাচাই করার চেষ্টা করবো এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করবো। আমরা দেখবো সুযোগ পেলে ওরা ভালো কিছু করার চেষ্টা করতে কতটুকু আগ্রহী। আমরা দেখবো যে আমাদের এ কর্মসূচির ফলে ওদের মুখে হাসি ফুটেছে কিনা। আর আমাদের নিজেদের অনুভূতি বা কিভাবে আমরাও দেশের জন্য কিছু করার জন্য কতটা প্রস্তত হতে পারছি। আপাতত এতটুকুই। আমাদের এ প্রজেক্টের সাথে কাজ করতে বা অংশ নিতে যারা আগ্রহী তারা অবশ্যই কমেন্টে আপনার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখে আপনার আগ্রহের কথা জানান কমেন্ট বক্সে। আমরা আপনাদের আমাদের প্রজেক্টের সাথে জুড়ে নেবো। সকলের অংশগ্রহণ কাম্য।
আপনি চাইলে আমাদের এই প্রজেক্টে আমাদের অনুদান দিতে পারেন আপনার অনুদানের সর্বোচ সৎ ব্যবহার করা হবে অনুদান দিন